শীতকালে নিয়মিত খেজুর খাচ্ছেন তো, কী উপকার হচ্ছে জানেন
ছোটোবেলায় দেখতাম পুজোর পরেই বাড়িতে বেশ কয়েকটি জিনিস নিয়ম করে আসত। চ্যবনপ্রাশ, মধু, গ্লিসারিন সাবান, নারকেলের ছোবড়া আর ধুনো এবং খেজুর। বাকি জিনিসগুলির সঙ্গে বিশেষ সখ্যতা ছিল না। তবে লুকিয়ে চুরিয়ে যেই জিনিসটা প্রায়ই চুরি করে খাওয়ার প্রবণতা ছিল তা হল খেজুর। দারুণ সুস্বাদু। টিফিনে মাঝে মধ্যে খেজুর দেখলে মনটা খুশি হয়ে উঠত। শীত পড়লেই কমলালেবু, আঙুর আর খেজুর খাওয়ার মজাই আলাদা। এই খেজুর যে শুধু সুস্বাদু তা নয়, এর পুষ্টিগুণও অনেক। তার অন্যান্য শুকনো ফল (কাজু, কিশমিশ, আমন্ড, পেস্টা, মাখানি, আখরোট)-এর মতো খেজুরও অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার।
শরীর গরম রাখে
খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন এবং ম্যাগনেসিয়াম। শরীরকে উষ্ণ রাখতে এই জিনিসগুলি দারুণ উপাদেয়। শীতকালে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এই খেজুর। গরম দুধ এবং খেজুর একসঙ্গে খেলে আরও ভালো ফল মেলে।
হার্ট ভালো রাখে
শীতকালে হৃদপিণ্ড ঠিক ভালো রাখতে নিয়মিত খেজুর খান। হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা কমাতে খেজুর দারুণ কাজ দেয়। আবার কিছু গবেষকের দাবি, খেজুরে উপস্থিত ফাইবার শরীরের কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।
হাঁপানির যম
ত্বকের যত্ন
স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে
ওজন নিয়ন্ত্রণ করে
হ্যাং ওভার কাটায়
শীতকালে পার্টি, অনুষ্ঠান গেট টুগেদার লেগেই থাকে। এই সময় অনেক সময় মাত্রারিক্ত অ্যালকোহল সেবন করে ফেলেন অনেকে। ফলে সারা রাতের হই হুল্লোড়ের পর সকালে হ্যাংওভার কাটতে চায় না। এদিকে অফিস যেতে হবে। সেকারণে হাত দিয়ে ঘঁষে খেজুরের খোসা ছাড়িয়ে রাতের বেলা এক গ্লাস জলে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই ভেজা খেজুর খেয়ে ফেলুন। হ্যাংওভার কেটে যাবে।